সভাপতির বক্তব্য

  • মানব সভ্যতার ক্রমবিকাশে সুনিপুন ধারালো অস্ত্রটি হচ্ছে শিক্ষা। এই শিক্ষাই পারে মানব জাতিকে সভ্য, সুন্দর, আধুনিক ও তথ্য প্রযুক্তি সম্পন্ন জাতি গঠনে সহায়তা করতে এবং বিশ্বকে জ্ঞানের আলোতে আলোকিত করতে। শিক্ষার ধারক ও বাহক হচ্ছে শিক্ষক। শিক্ষা, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর মিলনেই গড়ে উঠে একটি উন্নত জাতি। আলোকিত মানুষ গড়ার মানসেই ১৯৯০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এমারত হোসেন আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়। হাঁটি হাঁটি পা-পা করে পূর্ণ যৌবনে এসে দাঁড়িয়েছে বিদ্যালয়টি। এ বিদ্যাপিঠের শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রী ও কর্তৃপক্ষ “উপ্তি” নামক স্মরণীকা প্রকাশ করছে জেনে আমি খুবই আনন্দিত। প্রকৃত শিক্ষা মানুষের জীবন ও আচরণে স্থায়ী পরিবর্তন আনে। এ শিক্ষাই মানুষকে করে মনুষ্যত্ব সম্পন্ন ও.....বিস্তারিত

    S.M Tofazzal Hossain

    সভাপতি
    এমারত হোসেন আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়।

প্রধান শিক্ষিকার বক্তব্য

  • ঢাকা মহানগরীর কোল ঘেষে বয়ে গেছে  ইতিহাসের বিখ্যাত তুরাগ নদী। আর তুরাগের গাঁ ঘেসেই গড়ে উঠেছে একটি জনপদ নাম দক্ষিণখান । কালক্রমে এ জনপদ লোকালয়ে ভরে যায়। অবহেলা আর অনাদরে পড়ে থাকা এ জনপদে জন্ম হয় এক ত্রানকর্তার । তিনি অত্র এলাকার মানুষের কল্যাণে নানা ভাবে নিজেকে সম্পৃক্ত করেন। এক সময় এলাকার উন্নয়নের জন্য সরকারী বেসরকারী বিভিন্ন মহলে নাড়া দিয়ে এলাকার মানুষের উন্নয়ন সাধন করেন। তিনিই এ এলাকাকে একটি আদর্শ ইউনিয়নে পরিণত করেন । তিনি হচ্ছেন দক্ষিণখান আদর্শ ইউনিয়নের শ্রেষ্ট সন্তান,স্বাধীনতা যুদ্ধের বীর সেনানী, গুলশান থানা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার অত্র এলাকার কৃতি সন্তান , সুদীর্ঘ ২৭ বছরের সফল চেয়ারম্যান প্রায়াত এস.এম.মোজাম্মেল হক। এ জনপদকে সারাদেশে.....বিস্তারিত

    শিরিনা আক্তার

    প্রধান শিক্ষিকা
    এমারত হোসেন আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়।

আমাদের সম্পর্কে

বিদ্যালয়ের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

বাঙ্গালী জাতির শ্রেষ্ঠ অর্জন মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত হয় বাংলার স্বাধীনতা। সেই মহান মুক্তিযুদ্ধের গ্রুপ ক্যাপ্টেন বীর মুক্তিযোদ্ধা এস.এম মোজাম্মেল হক ও বীরমুক্তি যোদ্ধা   এস.এম. তোফাজ্জল হোসেন এর জন্ম দাতা পিতা - জনাব এমারত হোসেন এর নামে বিদ্যালয়ের নামকরণ করা হয়। “এমারত হোসেন আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়।”

....বিস্তারিত

বিদ্যালয়ের বৈশিষ্ট্যসমূহঃ

এমারত হোসেন আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়টি দক্ষিণখানের প্রাণকেন্দ্রে অত্যন্ত মনোরম পরিবেশে অবস্থিত। বিদ্যালয়ের নির্মাণ কৌশল ও অট্টালিকা গুলো সারি বদ্ধভাবে সাজানো। মাঝখানে সুবিশাল খেলার মাঠ। চারতলা বিশিষ্ট দুটি বিল্ডিং-এ ৩০ টি কক্ষ। প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষকের কক্ষসহ সাধারণ শিক্ষকগণের বিশাল মিলনায়তন রয়েছে। বিভিন্ন অনুষ্ঠানের জন্য অডিটরিয়াম ও ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার মানসে তিনতলায় তোলা হয়েছে অত্যা.....বিস্তারিত

সাফল্য

* প্রতি বছর বিদ্যালয় থেকে ১০০% রেজাল্ট পেয়ে থাকে।

*প্রতি টার্ম পরীক্ষার পর অভিভাবক দিবসসহ পি.এস.সি, জে.এস.সি ও এস.এস.সি পরীক্ষার্থীদের অভিভাবক ও অভিভাবিকাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ।

* শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে আধুনিক কম্পিউটার ল্যব এবং সু-সজ্জিত রয়েছে।

* ছাত্র-ছাত্রীদের মেধা বিকাশের লক্ষ্যে সামঞ্জস্যপূর্ণ সিলেবাস। দূর্বলদের জন্য ছুটির পরে বিশেষ ক্লাসের ব্যবস্থা আছে।

......বিস্তারিত

লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য

লক্ষ্যঃ শিক্ষিত জাতি হিসেবে বিশ্বের বুকে মাথা উচু করে বেঁচে থাকা।

উদ্দেশ্যঃ দক্ষিণখান থানার সকল অধিবাসীর সকল শিশু কিশোরকে আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে দেশের অন্যান্য উন্নত জন গোষ্ঠির সাথে তাল মিলিয়ে অত্র এলাকাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াও - - - - ।

......বিস্তারিত

শিক্ষকবৃন্দ ও ছাত্রছাত্রী

শিক্ষকঃ এমারত হোসেন আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়টি অত্যন্ত দক্ষ, উচ্চ শিক্ষিত ও দায়িত্ববান শিক্ষক দ্বারা পরিচালিত হয়ে আসছে। বেশীর ভাগ শিক্ষক এম.পি.ও ভুক্ত সরকারের নিয়ম নীতি অনুসারে নিয়োগপ্রাপ্ত ও পরিচালিত। 

একজন প্রধান শিক্ষক, একজন সহকারী প্রধান শিক্ষকসহ মোট ৪০ জন শিক্ষক রয়েছেন। তারা স্ব-স্ব বিষয়ে অত্যন্ত দক্ষ।

কর্মকর্তা ও কর্মচারীঃ.....বিস্তারিত

পি.এস. সি ও জে. এস.সি ২০১9 পরীক্ষায় শতভাগ পাস

.....পি.ই.সি. রেজাল্ট

Student Creativity

.....বিস্তারিত

আসন সংখ্যা

.....আসন সংখ্যা

নিজের উপর বিশ্বাস রাখো এবং কখনো হাল ছেরোনা

45

শ্রেণি

970

শিক্ষার্থী

56

শিক্ষক/শিক্ষিকা

যে কারণে আপনার সন্তানকে এমারত হোসেন আদর্শ উচ্চ বিদ্যালইয়ে ভর্তি করবেন

ভর্তি তথ্য

প্রতি বৎসর জানুয়ারি মাসে আমাদের শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হলেও সাধারণত পূর্বের বৎসরের অক্টোবর মাস হতেই ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়। আবার ক্লাসভেদে এবং আসন ফাঁকা থাকা সাপেক্ষে বছরের অন্যান্য সময়ও ভর্তি কার্যক্রম চলে।

ভর্তি নিয়ামাবলি

    • প্লে-গ্রুপ ও নার্সারি
      • প্লে-গ্রুপের জন্য শিশুর বয়স নুন্যতম ৩.৫ বৎসর এবং নার্সারির জন্য ৪.৫ বৎসর হতে হবে।

      • শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ থাকতে হবে।

 

  • কেজি থেকে দশম শ্রেনি পর্যন্ত
    • বিগত বার্ষিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।

ভর্তি পদ্ধতি

ভর্তির জন্য চাহিদা অনুযায়ী সকল কাগজপত্র সহ প্রধান শিক্ষক বরাবর আবেদন করতে হয়। 200 টাকা দিয়ে অফিস সময়ে ভর্তি ফরম সংগ্রহ করা যায়।

 

ভর্তির জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রাদি

  • শিক্ষার্থীর জন্ম নিবন্ধন সনদপত্র।

  • পিতা মাতার জাতীয় পরিচয়পত্র ( প্লে- ৫ম শ্রেণি)

  • বিগত বার্ষিক পরীক্ষায় নম্বরপত্র

  • ছাড়পত্র (৬ষ্ঠ- ৯ম)

  • ২ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি

  • প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) পরীক্ষার সনদ অথবা নম্বর পত্র (৬ষ্ঠ শ্রেণি)

  • জুনিয়র স্কুল সনদপত্র অথবা নম্বরপত্র (৯ম শ্রেণিতে ভর্তির জন্য)

  • ১। ৬ষ্ঠ ও ৯ম শ্রেণির ভর্তির ক্ষেত্রে ফলাফলের মার্কশীট সাথে আনতে হবে ও ভর্তি পরীক্ষা ছাড়াই 
  •      ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাবে।
  • ২। পে শিক্ষার্থীরা সরাসরি ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাবে।
  • ৩। অন্য শ্রেণি গুলোর ভর্তির ক্ষেত্রে ফলাফল শীট অবশ্যই দেখাতে হবে এবং উত্তীর্ণ থাকলে সব      
  •      শ্রেণিতে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাবে।
  • ৪। সব শ্রেণিতেই টি.সি জরুরী। তবে ৯ম শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে টি.সি বাধ্যতামূলক।
  • ৫। অভিভাবকরা টি.সি পরে দেওয়ার কথা বললে ভর্তি ফরমে সময় দিয়ে তা উলেখ করতে হবে।
  • ৬। ভর্তি ফরমে সার্টিফিকেট অনুযায়ী শিক্ষার্থীর নাম, পিতার নাম, মাতার নাম, ঠিকানা ও মোবাইল    
  •      নম্বর স্পষ্ট করে উলেখ করতে হবে।
  • ৭। ভর্তি করতে নির্ধারিত টাকা নিতে হবে। কম নিতে হলে প্রধান শিক্ষকের অনুমতি নিতে হবে।

শিক্ষাথী ভর্তি কমিটি নি¤œরুপঃ

সময়ঃ সকাল ৮.০০ টা থেকে দুপুর ১২.০০ পর্যন্ত থাকবেন 

সময়ঃ  ১২.০০ টা থেকে বিকাল ৪.৩০ পর্যন্ত থাকবেন